মৃত প্রজেক্টটি জীবিত করা হয়েছে: কাদের


১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৮:৫৯

আপডেট:
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৯:৪০

ইন্টারনেট থেকে

প্রায় মৃত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের অর্থায়ন নিয়ে এখন আর কোনো সমস্যা নেই। এই প্রজেক্টটি মরেই গিয়েছিল, মৃত প্রজেক্টটি জীবিত করা হয়েছে। এই প্রজেক্ট দীর্ঘদিন ঝুলে ছিল, এখন গতি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার বিমানবন্দরের কাওলায় প্রকল্পের শুরুর পয়েন্টে কাজের অগ্রগতি দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

সেতুমন্ত্রী জানান, জুনের আগেই প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ ২০২০ সালের জুলাইয়ের মধ্যে হয়ে যাবে। আর তৃতীয় পর্যায়ের কাজ ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ হবে। অর্থাৎ ৩ ধাপের কাজ শেষ হবে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে। প্রথম ধাপের কাজ ৫০ ভাগ আর মোট কাজের অগ্রগতি ২০ ভাগ।

তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় ফেইজের কাজ সম্পন্ন হলে অপারেশনটা আমরা করতে পারব। প্রথম ফেইজটা ফিজিবল হবে না। আগামী বছরের জুলাই নাগাদ দ্বিতীয় ফেইজের কাজ শেষ হলে অপারেশন শুরু হয়ে যাবে।’ প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে দ্রুতগতিতে কাজ চলছে এবং আগামী রোজার ঈদের আগেই মহাসড়কের সব ফ্লাইওভার ও সেতুর কাজ শেষ হবে।

কাদের জানান, মাঝখানে অর্থায়নের সমস্যা ছিল। এখন এক্সিম ব্যাংক অব চায়না এই জানুয়ারি মাসে ৮৬১ মিলিয়ন ইউএস ডলার অনুমোদন করেছে। আইসিবিসি, তারা আরও ৪০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার অনুমোদন করেছে। এখন আর অর্থায়নের কোনো সমস্যা নেই। মার্চ এর মধ্যে সব টাকা এসে যাবে।

এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প এলাকাকে ৩ অংশে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম অংশে বিমানবন্দর থেকে বনানী পর্যন্ত ৭ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার, দ্বিতীয় অংশে বনানী থেকে মগবাজার পর্যন্ত ৫ দশমিক ৮৫ কিলোমিটার এবং তৃতীয় অংশে মগবাজার থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত ৬ দশমিক ৪৩ কিলোমিটার।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কুড়িল, বনানী, মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার, কমলাপুর, সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত ঢাকা

উল্লেখ্য, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা।

কান্ট্রিনিউজ২৪/এএইচ