আরো শক্তিশালী হতে বললেন খালেদা


৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১১:৫১

আপডেট:
৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১২:৪৩

খালেদা জিয়া, কাদের সিদ্দিকী, ড. কামাল, মাহমুদুর রহমান মান্না, আব্দুর রব, মির্জা ফখরুল

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিএনপির কোনও কোনও নেতা। দলটির শীষ নেতার কয়েকজন ঐক্যফ্রন্টে যাওয়া নিয়ে কঠোর বিরোধিতাও করেছেন। তবে দলের চেয়ারপারসন কারাবন্দি খালেদা জিয়া জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন না। তিনি ঐক্যফ্রন্টকে আরো শক্তিশালী হতে বলেছেন। এ ব্যাপারে আইনজীবীদের মাধ্যমে শীর্ষ নেতাদের নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

নির্বাচনের পর বেসরকারি একটি টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “বিএনপির মতো জনপ্রিয় দলের বিশ দলীয় জোট থাকার পরও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যাওয়ার দরকার ছিল না। বিএনপিকে স্থায়ী কমিটির শীর্ষ নেতারাই চালানোর জন্য যথেষ্ট ছিলেন। হঠাৎ করে অজানা-অচেনা মানুষের দ্বারস্থ হওয়ার দরকারই ছিলো না।”

এছাড়া ঐক্যফ্রন্টের বিষয়ে দলের নানা ফোরামে কয়েকজন নেতা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তবে মামলার হাজিরার সময় আইনজীবীদের মাধ্যমে খালেদা জিয়া সুস্পষ্ট বার্তা দেন। দলীয় প্রধানের এই নির্দেশনার পর ঐক্যফ্রন্ট ৬ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি কর্মসূচি দিয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, “ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর জোটটি আওয়ামীবিরোধী রাজনীতির বৃহত্তর প্ল্যাটফর্মে রূপ নিয়েছে। এ জোট গঠনের আগে বিএনপিকে স্বাধীনতাবিরোধী মৌলবাদ দলের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলার যে অপপ্রচার চলছিল সেটা ফিকে হয়ে গেছে। বরং বিএনপি যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদার, একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতি দল সেটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”

বিষয়টি নিয়ে বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, “আমরা তো ঐক্যফ্রন্ট করেছি আমাদের চেয়ারপারসনের নির্দেশে। সুতরাং চেয়ারপারসন ঐক্যফ্রন্টের ব্যাপারে ডেফিনেটলি পজেটিভ থাকবেন, সেটাই স্বাভাবিক। ঐক্যফ্রন্ট আরও শক্তিশালী হবে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঐক্যফ্রন্ট আরও কীভাবে বড় করা যায় সেই ব্যাপারেও চিন্তাভাবনা চলছে।”

কান্ট্রিনিউজ২৪/এমআর