মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে অর্থ আদায়ের অভিনব কায়দা খাদিজার


প্রকাশিত:
২১ অক্টোবর ২০১৯ ০৮:২৫

Print Friendly and PDF

মিথ্যা মামলা দিয়ে সমাজের গণ্যমান্য বিত্তশালী ব্যক্তিদের ঘায়েল করাই তাদের কাজ। এই চক্রের প্রধান টার্গেট সমাজের গণ্যমান্য বয়স্ক বিত্তশালী ব্যক্তি। কেউ প্রবাসে বাস করলে তো কথাই নেই। অবধারিতভাবে তার নাম ঢুকে যাবে ধর্ষণ বা এসিড নিক্ষেপের মতো স্পর্শকাতর মামলায়। তারপর বাদীর পক্ষ থেকে মামলা তোলার পূর্বশর্ত হিসেবে দাবি করা হয় বড় অঙ্কের অর্থ। দাবি করা অর্থ পরিশোধ করলে তুলে নেয়া হয় মামলা। এই ধরনের অভিনব মামলাবাজ চক্রের নিশানায় পড়ে অর্থ ও সম্মান খোঁয়াচ্ছেন অনেকে।

জানা গেছে, খাদিজা বেগম নামের এক নারী কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী জেলায় একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা চেষ্টার মতো মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরীহ মানুষকে হয়রানির মাধ্যমে অর্থ আদায় করছে। এ রকম এক মামলায় আসামি করা হয়েছে ৭ জনকে। ৭ আসামির ঠিকানা ৭টি আলাদা আলাদা থানা-জেলায়। আসামিদের মধ্যে নেই পারস্পরিক চেনা-জানা। ৭ আসামির অন্তত তিনজন মামলা দায়েরের ২/৩ বছর আগে থেকেই আছেন বিদেশে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চাঁদপুরের পালাখাল গ্রামের মৃত ওহেদুর রহমানের মেয়ে খাদিজা। প্রথম স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে করে গত ১০-১২ বছর তিনি আর গ্রামের বাড়ি যান না। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার বিয়ে করলেও স্বামীর সংসার করেননি তিনি। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা রজু করে অর্থ আদায়ের একাধিক অভিযোগ এলাকায় চাউর হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খাদিজা গ্রামের বাড়িতে থাকেন না। থাকেন কুমিল্লা শহরে।কিন্তু ঠিকানা অজ্ঞাত। তার প্রকৃত ঠিকানা কেউ জানেন না।মিথ্যা মামলা দায়েরের পর সে এবং তার চক্রের সদস্যরা বিবাদীদের কাছে অর্থ দাবি করে মীমাংসার প্রস্তাব পাঠায়। যারা এ প্রস্তাবে সাড়া দেয় তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তুলে নেয়া হয়। আর অর্থ দিয়ে মীমাংসার প্রস্তাবে রাজি না হলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে চরম হয়রানি করা হয়।