ঘুমে নাক ডাকা বন্ধে সমাধান


২ জানুয়ারী ২০১৯ ১৬:৫৫

আপডেট:
২৪ মার্চ ২০১৯ ১২:৫২

ইন্টারনেট থেকে

ঘুমে নাক ডাকা যেমন একটি রোগ, তেমনি এটি পাশের জনের জন্য বিরক্তিকরও।এটি স্লিপএপিনিয়ার লক্ষণও বটে। ঘুমের মধ্যে গলা দিয়ে ঠিকমতো শ্বাস বেরতে না পারলে বাধা পেয়ে যে শব্দ হয় তা-ই নাক ডাকা। মূলত গলা ও নাকের আশপাশের টিস্যুগুলো কাঁপতে থাকে বলে এ শব্দ হয়, যা রুমমেটের জন্য খুবই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বয়স বাড়লে নাক ডাকা বাড়ে, মহিলার তুলনায় পুরুষের এ সমস্যা বেশি হয়। তাই বৈবাহিক জীবনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব বাড়ার কারণ হতে পারে এটি।তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে নাক ডাকার এ শারীরকি সমস্যার প্রবণতা কমে আসে। নিয়মগুলো হলো :

১. মদ্যপান- ধূমপান ত্যাগ করুন : মদ্যপান ও ধূমপানের সঙ্গে নাক ডাকার সর্ম্পক রয়েছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।তাই মদ্যপান- ধূমপান ত্যাগ করুন।

১. ওজন কমান: স্থূলকায় ব্যক্তি, বিশেষ করে যাদের ওজন সম্প্রতি বেড়েছে তাদের নাম ডাকার প্রবণতা বেশি। গলা ও ঘাড়ে চর্বি জমলে শ্বাসনালি সরু হয়ে ঘুমে নাক ডাকার পরিস্থিতি তৈরি হয়। ওজন কমাতে পারলইে নাক ডাকা অনকেটা কমে যায়। তাই ব্যয়াম ও ডায়েটের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখা উচিত।

২.ঘুমের ওষুধকে না বলুন : ঘুমের ওষুধের কারণে শারীরীক সমস্যা হয়। এতে নাক ডাকা বাড়তে পারে। তাই ঘুমের, ঠাণ্ডার ও অ্যান্টি হিস্টামিন জাতীয় ওষুধকে না বলুন।

৩. র্সদি : নাক বন্ধ থাকার আরেকটি কারণ র্সদি। তাই ঘুমের আগে সর্দি ঝেড়ে নিন।

৪. কাত হয়ে ঘুমান : কাত হয়ে ঘুমালে নাক ডাকার শব্দ কম হয়। চিত হয়ে ঘুমালে শ্বাসনালি আটকে যায়। তাই একটু উঁচু বালিশে ঘুমালে শব্দ একটু কম হতে পারে।

৫. অ্যালার্জির কারণেও নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে।

এসবে না কমলে আরো কিছু পন্থা অবলম্বন করা যেতে পারে।

১. আদা চা: অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানের ফলে নাক ডাকা কমে যায়।

২. রসুন: নাকে মিউকাস জমতে বাঁধা দেয় , তাই শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক হয়।

৩. ঘি: ঘি গরম করে নাকে প্রয়োগ করলে নাক ডাকার প্রবণতা কমে যায়।

৪. মধু: রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম জলে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন, এতে নাক ডাকা কমে যায় ।

৫. এলাচ: এলাচ খেলে নাক ডাকা কমে যায় ।

এসবের পরও নাক ডাকা না কমলে কিছু অত্যাধুনিক পন্য কিনতে পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহার করে দেখতে পারেন।