নিজের ছবি দেখে কাঁদলেন শ্রাবন্তী


৯ মার্চ ২০১৯ ১৯:১৯

আপডেট:
২৪ মার্চ ২০১৯ ১২:৫১

ঢাকায় এসে নিজের অভিনীত ছবি ‘যদি একদিন’ দেখে অন্য অনেক দর্শকের মতো কাঁদলেন কলকাতার অভিনেত্রী শ্রাবন্তীও!

শনিবার (৯ মার্চ) সকালে বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে ছবিটির বিশেষ প্রদর্শনীতে হাজির ছিলেন তিনি। নিজের ছবি দেখতে দেখতে অনেক দৃশ্যে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি ৩১ বছর বয়সী এই তারকা। প্রদর্শনী শেষে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এমনটাই জানালেন শ্রাবন্তী।
এদিন সবুজ থ্রি-পিস পরে এসেছিলেন তিনি।
‘যদি একদিন’ ছবিতে কাজের সুযোগ দেওয়ায় পরিচালক রাজকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন শ্রাবন্তী, ‘রাজ খুব ভালো। দারুণ মানুষ। টেকনিক্যালি খুব সাউন্ড একজন নির্মাতা তিনি। অনেকদিন ধরে আমাদের মধ্যে এই ছবি নিয়ে কথা হচ্ছিল। এত বড় ছবি ও ভালো সুযোগ আমাকে উপহার দেওয়ায় রাজকে ধন্যবাদ জানাই। আর তাহসান অসাধারণ অভিনেতা। পুরো টিম আমাকে খুব সহযোগিতা করেছে। কলকাতার একজন মানুষ হয়ে ঢাকায় এত বড় একটি কাজ করতে পেরে আমি সম্মানিত।’ভবিষ্যতে ঢাকার ছবিতে আবারও কাজের ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন শ্রাবন্তী। তার কথায়, ‘যদি একদিন নিয়ে অনেক ভালো সাড়া পাচ্ছি, তাই এখানে কাজ করার ইচ্ছে আরও বেড়ে গেছে। এখন সবার আশীর্বাদ চাই যাতে আরও ভালো ভালো কাজ করতে পারি।’
এপার বাংলার নায়িকা রেখে ওপার বাংলা থেকে একজনকে নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে রসিকতার সুরে রাজের উত্তর, ‘উনি (শ্রাবন্তী) আমার প্রিয় নায়িকা, এজন্য তাকে নিয়েছি।’
তবে শিশুশিল্পী রাইসাকেই এই ছবির নায়িকা বললেন শ্রাবন্তী। ‘যদি একদিন’ নিয়ে প্রত্যাশার কথা জানতে চাইলে আনন্দ নিয়ে তিনি বলেন, ‘অলরেডি সুপারহিট হয়ে গেছে! সবার ভালোবাসা পেয়ে আমি উচ্ছ্বসিত। ছবির শেষ দৃশ্যে পুরো প্রেক্ষাগৃহ জুড়ে যখন সবাই হাততালি দিলেন, তখনই বুঝেছি ছবিটি হিট।’
তাহসানের দেওয়া তথ্যে বোঝা গেল সেই রেশ, ‘আমার কাছে ফোন এসেছে নারায়ণগঞ্জ ও খুলনা থেকে, অনেকে টিকিট পাচ্ছে না। গতকাল থেকে সিনেমা হলে উপচেপড়া ভিড়। সবাই খুব ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছেন, আমরা এতটা প্রত্যাশা করিনি। কারণ কখনোই কোনও কাজ প্রত্যেক মানুষের ভালো লাগে না। কিন্তু এই ছবি নিয়ে সর্বশ্রেণীর প্রশংসা পাচ্ছি। এটা আমাদের বাংলা সিনেমার জন্য বড় ব্যাপার। বাংলা সিনেমাকে সম্মিলিতভাবে বড় করতে হবে।’

 

ভবিষ্যতে ঢাকার ছবিতে আবারও কাজের ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন শ্রাবন্তী। তার কথায়, ‘যদি একদিন নিয়ে অনেক ভালো সাড়া পাচ্ছি, তাই এখানে কাজ করার ইচ্ছে আরও বেড়ে গেছে। এখন সবার আশীর্বাদ চাই যাতে আরও ভালো ভালো কাজ করতে পারি।’
এপার বাংলার নায়িকা রেখে ওপার বাংলা থেকে একজনকে নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে রসিকতার সুরে রাজের উত্তর, ‘উনি (শ্রাবন্তী) আমার প্রিয় নায়িকা, এজন্য তাকে নিয়েছি।’
তবে শিশুশিল্পী রাইসাকেই এই ছবির নায়িকা বললেন শ্রাবন্তী। ‘যদি একদিন’ নিয়ে প্রত্যাশার কথা জানতে চাইলে আনন্দ নিয়ে তিনি বলেন, ‘অলরেডি সুপারহিট হয়ে গেছে! সবার ভালোবাসা পেয়ে আমি উচ্ছ্বসিত। ছবির শেষ দৃশ্যে পুরো প্রেক্ষাগৃহ জুড়ে যখন সবাই হাততালি দিলেন, তখনই বুঝেছি ছবিটি হিট।’
তাহসানের দেওয়া তথ্যে বোঝা গেল সেই রেশ, ‘আমার কাছে ফোন এসেছে নারায়ণগঞ্জ ও খুলনা থেকে, অনেকে টিকিট পাচ্ছে না। গতকাল থেকে সিনেমা হলে উপচেপড়া ভিড়। সবাই খুব ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছেন, আমরা এতটা প্রত্যাশা করিনি। কারণ কখনোই কোনও কাজ প্রত্যেক মানুষের ভালো লাগে না। কিন্তু এই ছবি নিয়ে সর্বশ্রেণীর প্রশংসা পাচ্ছি। এটা আমাদের বাংলা সিনেমার জন্য বড় ব্যাপার। বাংলা সিনেমাকে সম্মিলিতভাবে বড় করতে হবে।’

ছবিটিতে তাহসানের পাশাপাশি ‘ঢাকা অ্যাটাক’ তারকা তাসকিন রহমানের বিপরীতেও অভিনয় করেছেন শ্রাবন্তী। শনিবারের বিশেষ প্রদর্শনীতে আমন্ত্রিতদের মধ্যে ছিলেন অভিনেতা-নির্মাতা তৌকীর আহমেদ, নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী, অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব, কণ্ঠশিল্পী কোনাল প্রমুখ।
‘যদি একদিন’-এর মুক্তি উপলক্ষে শুক্রবার ঢাকায় এসে পৌঁছান শ্রাবন্তী। গতকাল সীমান্ত সম্ভারে যান তিনি। এর আগে যৌথ প্রযোজনার ছবিতে (শিকারী) দেখা গেছে তাকে। তাহসানের এটাই প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন মাসুম বাশার, মিলি বাশার, নাজিবা বাশার, সুজাত শিমুল, আনন্দ খালেদ, রানী আহাদ প্রমুখ।
মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত ‘যদি একদিন’-এর গানগুলো তৈরি করেছেন হৃদয় খান, ইমরান মাহমুদুল ও নাভেদ পারভেজ। নির্মাতার সঙ্গে ছবিটির চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন আসাদ জামান। প্রযোজনায় বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড।
‘যদি একদিন’ ছবিটি চলছে স্টার সিনেপ্লেক্স (বসুন্ধরা সিটি, ঢাকা), স্টার সিনেপ্লেক্স (সীমান্ত সম্ভার, ঢাকা), ব্লকবাস্টার সিনেমাস (যমুনা ফিউচার পার্ক, ঢাকা), সিলভার স্ক্রিন (চট্টগ্রাম), শ্যামলী (ঢাকা), বলাকা (ঢাকা), মধুমিতা (ঢাকা), চিত্রামহল (ঢাকা), শাহিন (ঢাকা), শঙ্খ (খুলনা), লিবার্টি (খুলনা), নন্দিতা (সিলেট), অভিরুচি (বরিশাল), আলমাস (চট্টগ্রাম), ছায়াবাণী (ময়মনসিংহ), রূপকথা (পাবনা), মণিহার (যশোর), সেনা (সাভার, ঢাকা), পান্না (মুকতারপুর), রানিমহল (ডেমরা), চম্পাকলি (টঙ্গী) ও নিউ মেট্রো (নারায়ণগঞ্জ) প্রেক্ষাগৃহে।