২২ দেশের প্রতিনিধিত্ব থাকছে বাণিজ্য মেলায়


৯ জানুয়ারী ২০১৯ ১০:৪৭

আপডেট:
১০ জানুয়ারী ২০১৯ ২০:৩৪

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শের-ই-বাংলা নগরে ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার পর্দা উঠছে আজ (৯ জনুয়ারি) বুধবার । রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আজ বিকাল ৩টায় ৩০ দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করবেন।

মেলায় ছোট বড় মিলে ৬০৫টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে ৫৯টি প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন, ১৯টি সাধারণ প্যাভিলিয়ন, ২৬টি বিদেশী প্যাভিলিয়ন, ৬টি সংরক্ষিত প্যাভিলিয়ন, ৩২ সাধারণ মিনি প্যাভেলিয়ন, ৩৬ প্রিমিয়ার মিনি প্যাভিলিয়ন, ৯টি বিদেশি মিনি প্যাভিলিয়ন, ৬টি সংরক্ষিত মিনি প্যাভেলিয়ন, ৬৮টি প্রিমিয়ার স্টল বিদেশী, ১৭টি প্রিমিয়ার স্টল, ২৯৫টি সাধারণ স্টল, ৩০টি ফুড স্টল এবং ২টি রেস্তোরাঁ।

প্রতিবছরের ন্যায় খাদ্য দ্রব্যের মান নিয়ন্ত্রণের এবারও থাকবে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের একটি বিশেষ বুথ। মেলায় মা ও শিশুদের জন্য থাকবে ২টি কেন্দ্র। অন্যদিকে শিশুদের জন্য থাকবে ২টি শিশু পার্ক। আরও জানানো হয়, এবারের মেলায় ২২টি দেশের ৫২টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। দেশগুলো হচ্ছে থাইল্যান্ড, ইরান, তুরষ্ক, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, নেপাল, চীন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, পাকিস্তান, হংকং, সিংগাপুর, মরিশাস, দক্ষিণ কোরিয়া, সাউথ আফ্রিকা, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, অষ্ট্রেলিয়া ও জাপান।

সাধারণত প্রতিবছর ১ জানুয়ারি মেলা শুরু হয়। তবে এবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে বাণিজ্যমেলা ৮ দিন পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুারোর (ইপিবি) প্রতিবছর ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০১৯ এর আয়োজ করে। সাপ্তাহিক কোনো বন্ধ না রেখে মেলা চলবে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সকাল ১০টা থেকে শুরু করে কোন ধরণের বিরতি ছাড়াই রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে।

ইপিবি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবারই প্রথম অনলাইনে টিকিট কাটার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ফলে বাণিজ্য মেলায় আগত দর্শনার্থীরা যেকোনও স্থান থেকে ৩০ টাকা মূল্যের এ টিকিট কিনতে পারবেন। মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করে অনলাইনের মাধ্যমে এ টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।

বাণিজ্য মেলার টিকিট কাটতে হলে প্রথমে মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার থেকে www.e-dift.com প্রবেশ করতে হবে। এবার নির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে গ্রাহককে ৩টি ধাপ পেরুতে হবে। এ ছাড়াও মেলার মূল গেটের পাশে টিকিট সংগ্রহের কাউন্টার রয়েছে।

দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করতে প্রতিবছরেই মেলায় ভিন্নতা নিয়ে আসা হয়। এবারেও সেই আয়োজনের কমতি নেই। গতবছর মেলার প্রধান গেট পদ্মাসেতুর আদলে তৈরি করা হয়েছিলো। এবারে সেখানে জায়গা করে নিয়েছে ঢাকা মেট্রোরেল। দর্শণার্থীদের সুবিধার্থে অন্যান্য বছরের চেয়ে এবারে মেলা প্রাঙ্গণে বেশি খোলামেলা জায়গা রাখা হয়েছে। মেলায় ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা যাতে তাদের পরিবার ও পরিজনদের নিয়ে স্বচ্ছন্দ্যে ঘুরাঘুরি করতে পারেন সে জন্য রয়েছে গ্রিনজোন। মেলার দুই প্রান্তে সুন্দরবনের আদলে ইকো পার্ক তৈরি করা হয়েছে।

মেলায় নির্দিষ্ট স্টল ও প্যাভিলিয়ন খুঁজে পেতে যাতে কোন ধরণের সমস্যায় পড়ে না হয় সেজন্য রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। এর জন্য রাখা হয়েছে ডিজিটাল এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার। এখান থেকে খুব সহজেই জানা যাবে স্টল ও প্যাভিলিয়নে সকল তথ্য।