হোসেন্দী অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১০ হাজার লোক কাজ করবে


৭ জানুয়ারী ২০১৯ ১৯:০৭

আপডেট:
৮ জানুয়ারী ২০১৯ ১২:০৮

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নে ১০৮ একর জমি নিয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে হোসেন্দী অর্থনৈতিক অঞ্চল। এ অঞ্চল পরিপূর্ণভাবে চালু হলে কমপক্ষ্যে ১০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

আজ (৭ জানুয়ারি) সোমবার রাজধানীর বাংলা মোটরে অবস্থিত বেজার অফিসে হোসেন্দী অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রাক-যোগ্যতাপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী এ কথা বলেন।

বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিটি ইকোনমিক জোনের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, হোসেন্দী অর্থনৈতিক অঞ্চলের চেয়ারম্যান শম্পা রহমানসহ আরো অনেকে।

পবন চৌধুরীর বলেন, আর এ জোনকে প্রাক-যোগ্যতাপত্র দিয়েছে বেজা। আমরা হোসেন্দী ইকোনমিক অঞ্চলের সম্ভাব্যতা যাচাই বাচাই শেষে চূড়ান্তভাবে লাইসেন্স প্রদান করব। এ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে।

তিনি বলেন, আমরা এখানে এমন সব উদ্যোক্তাদের জমি দিয়েছি যাদের জাহাজ নির্মাণ শিল্পসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এ অর্থনৈতিক অঞ্চলে সিমেন্ট, সল্ট এন্ড কেমিক্যাল, জাহাজ নির্মাণ এবং সিরামিক পণ্য খাতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা ১০৮ একর জমি দিয়ে শুরু করলেও ভবিষ্যতে এ জমির পরিমাণ ১৫০ একরে উন্নিত করব।

তিনি আরো বলেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে একশটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এগুলো চালু করতে পারলে দেশে আর কর্মসংস্থানের অভাব থাকবে না। এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে এক কোটি লোকের নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। আর তখন আমরা প্রতিবছর ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় অর্জন হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি। এখন পর্যন্ত আমরা ৭টি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলে সাইসেন্স প্রদান করেছি।

বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবশে নিশ্চিত করার জন্য অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগকারীদের গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানিসহ সব ধরনের ইউনিটিটি সুবিধা প্রদানের জন্য সরকার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।